জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, বৈশ্বিক বাজারে দাম বাড়লেও দেশে এখনো জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে সরকার। যদিও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বাড়ানো এবং বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক দর-কষাকষি ও কূটনৈতিক যোগাযোগে জ্বালানি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, “সরকার জ্বালানি তেলে ভর্তুকি বৃদ্ধি, বিকল্প উৎস থেকে কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। এ জন্য দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় কূটনীতিতে তেলের সংস্থানকে প্রাধান্য এবং আন্তর্জাতিক দর-কষাকষিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। জ্বালানি নেওয়ার জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ প্রকল্প চালু করা হয়েছে।”
বিদ্যুৎ খাতের অগ্রগতির তথ্য তুলে ধরে মাহদী আমিন জানান, এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌরশক্তি ব্যবহার করে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি নিয়েও তিনি সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন। তার মতে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চাপের মধ্যেও বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সরকারের একটি অগ্রাধিকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা। প্রতিকূল বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে রমজানে এবং অন্যান্য বছরের তুলনায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে তারল্যসংকট থাকা সত্ত্বেও খাদ্যপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের আমদানি অব্যাহত রাখা হয়েছে। ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট তৈরি হয়নি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা গেছে।’







